একবার কাম্পাস এ খুব ঝড় এ আটকা পরেছিলাম। অনেকক্ষণ আটকা থাকার পর যখন ঝড় থামল তখন রবীন্দ্র ভবন থেকে বের হয়ে যখন ইবলিশ চত্বরে গেলাম দেখলাম কতগুলো বাচ্চা ছেলে একটা কাল মত কি যেন নিয়ে খুব মজা করে ফুটবল খেলছে। একটু ভালো করে তাকিয়ে আমার কেমন যেন অস্বস্তি লাগতে লাগলো। দেখি ওই কাল বস্তুটা আর কিছু না একটা কাকের বাচ্চা। তখন ও মরেনি। ঝরে মনে হয় গাছ দিয়া পইরা গেছে। তখন আমার মাথায় একটা প্রশ্ন এসেছিল এই বাচ্চা গুলো বড় হয়ে কি হবে। আজ মনে হয় আমি আমার উত্তর পাইয়া গেছি।
মানুষের মনুষ্যত্ব বোধ দিন দিন পশুত্তের পর্যায় এ চলে যাচ্ছে। মনুষ্যত্ব এখন সংখালঘু। আমি মেনে নিলাম যারা এই মানুষটাকে (পুলিশ কর্মকর্তা জাহাঙ্গির) মারল তারা মহা মানুষ, কিন্তু অবাক হয়ে দেখলাম আশে পাশে মানুষ খুব কম ই ছিল। তাই দুই তিনজন তুচ্ছ মানুষকে এগিয়ে আসতে হোলও এই তুচ্ছ মানুষটাকে ওহ সরি পুলিশ টাকে বাচাতে। পুলিশ কে তোঁ আমরা মানুষ ধরি না ভুলে গেছি। ওরা তোঁ শুধুই পুলিশ। আমি বুঝি আমার রক্ষা কর্তা আমার বাবা। আর আমাদের রক্ষাকর্তা পুলিশ।
আর সাংবাদিক বা ফটোগ্রাফার দের কাছে মনে হয় একটা মানুশকে বাঁচানোর চাইতে তার শেষ মুহূর্তের ছবি তোলা অনেক মূল্যবান।
আমার এই লেখা দেখে একদল ঝাঁপিয়ে পরবে জানি। বলবে আমি আওয়ামীলীগ এর দালাল। আমি পুলিশ যখন পাখির মত ঝাকে ঝাকে মানুষ মারে তখন কিছু বলি না। তাদেরকে বলছি সকল প্রকার মারামারি কেই আমার অর্থহীন পাশবিকতা মনে হয়। কিন্তু আমার কাছে বাবা কত্রিক সন্তান মারা আর সন্তান কত্রিক বাবাকে মারা কখনোই এক পাল্লায় পরবে না। দুঃখিত।
আমার সস্রদ্ধ সম্মান জানাই সংখালঘু ওই মানবিক গুণসম্পন্ন মানুষ ঝর্না বেগম ও নাম না জানা ওই বাকি কয়জনকে যারা মানুষের পর্যায় থেকে নেমে এসে উদ্ধার করেছ ওই অসহায় মানুষ সরি পুলিশ টাকে।। তোমরা আছ বলে এখনো আমরা মাথা উচু করে বলি আমারা মানুষ, সৃষ্টির সেরা জীব।
জয় বাংলা। জয় জনতা।
মানুষের মনুষ্যত্ব বোধ দিন দিন পশুত্তের পর্যায় এ চলে যাচ্ছে। মনুষ্যত্ব এখন সংখালঘু। আমি মেনে নিলাম যারা এই মানুষটাকে (পুলিশ কর্মকর্তা জাহাঙ্গির) মারল তারা মহা মানুষ, কিন্তু অবাক হয়ে দেখলাম আশে পাশে মানুষ খুব কম ই ছিল। তাই দুই তিনজন তুচ্ছ মানুষকে এগিয়ে আসতে হোলও এই তুচ্ছ মানুষটাকে ওহ সরি পুলিশ টাকে বাচাতে। পুলিশ কে তোঁ আমরা মানুষ ধরি না ভুলে গেছি। ওরা তোঁ শুধুই পুলিশ। আমি বুঝি আমার রক্ষা কর্তা আমার বাবা। আর আমাদের রক্ষাকর্তা পুলিশ।
আর সাংবাদিক বা ফটোগ্রাফার দের কাছে মনে হয় একটা মানুশকে বাঁচানোর চাইতে তার শেষ মুহূর্তের ছবি তোলা অনেক মূল্যবান।
আমার এই লেখা দেখে একদল ঝাঁপিয়ে পরবে জানি। বলবে আমি আওয়ামীলীগ এর দালাল। আমি পুলিশ যখন পাখির মত ঝাকে ঝাকে মানুষ মারে তখন কিছু বলি না। তাদেরকে বলছি সকল প্রকার মারামারি কেই আমার অর্থহীন পাশবিকতা মনে হয়। কিন্তু আমার কাছে বাবা কত্রিক সন্তান মারা আর সন্তান কত্রিক বাবাকে মারা কখনোই এক পাল্লায় পরবে না। দুঃখিত।
আমার সস্রদ্ধ সম্মান জানাই সংখালঘু ওই মানবিক গুণসম্পন্ন মানুষ ঝর্না বেগম ও নাম না জানা ওই বাকি কয়জনকে যারা মানুষের পর্যায় থেকে নেমে এসে উদ্ধার করেছ ওই অসহায় মানুষ সরি পুলিশ টাকে।। তোমরা আছ বলে এখনো আমরা মাথা উচু করে বলি আমারা মানুষ, সৃষ্টির সেরা জীব।
জয় বাংলা। জয় জনতা।
০২/০৪/২০১৩
No comments:
Post a Comment