১. সিরাজ সাহেব বেশ ভদ্রলোক। কারো আগে পিছে থাকেন না কখনও। নিজের পরিবার ছাড়া কারো সাথে মেশেন না। একটা ছোট গলির ভেতর থাকেন। যান্ত্রিক শহরে নিজ পরিবার কে নিয়ে বেশ ভালোই আছেন। হঠাৎ করে তার এলাকায় এক সন্ত্রাসীর উদ্ভব হোলও। একদিন সিরাজ সাহেব অফিস থেকে বাসায় ফিরছেন। বাসার কাছেই আসতে দেখেন তার প্রতিবেশি কামাল সাহেব কে সেই সন্ত্রাসি (ধরে নিন ছক্কা হাফিজ) ও তার সাঙ্গপাঙ্গ রা চাপাতি দিয়ে কোপাচ্ছে। সিরাজ সাহেব দেখেও না দেখার ভান করে চলে এলো। দুদিন পড়ে আবার অফিস থেকে আসার সময় দেখেন ছক্কা হাফিজ ও তার সাঙ্গপাঙ্গ রা এবার প্রতিবেশি জামান সাহেব এর মাথায় গুলি করে ফেলে রেখে গেছে রাস্তায়। কিন্তু সিরাজ সাহেব এমন ভাবে পাশ কাটিয়ে চলে এলেন যেন কিছুই হয় নি।
সপ্তাখানেক পর সুক্রবার সকালে সিরাজ সাহেব বাজার করে ফিরছেন। গলির ভিতর ঢুকে দ্যাখেন চৌধুরী সাহেব মাটিতে গরাগরি খাচ্ছে আর ছক্কা হাফিজ আর তার সাঙ্গপাঙ্গ রা বাশ দিয়ে পেটাচ্ছে। সিরাজ সাহেব কে দেখে চৌধুরী সাহেব অনেক অনুরোধ করলেন তাকে বাঁচানোর জন্য। কিন্তু এবার ও সিরাজ সাহেব কিছুই দেখেন নি এই ভাব করে চলে গেলেন। এভাবেই চলতে থাকলো। মাস দুয়েক এর মধ্যে সিরাজ সাহেব এর এলাকা খালি হয়ে গেলো। এবার একদিন অফিস থেকে ফিরে আসার সময় সিরাজ সাহেব ছক্কা হাফিজ ও তার সাঙ্গপাঙ্গ এর হামলার শিকার হলেন। অনেক অনুনয় বিনয় করলেন। অনেক কান্নাকাটি করলেন কাজ হোলও না। সাহায্যের জন্য আসেপাশের প্রতিবেশিদের বাড়ির দিকে তাকিয়ে অনেক চিল্লালেন। কিন্তু কেও এলো না, আসবে কীভাবে কেও তো নেই। ধিরে ধিরে মৃত্যু আছড়ে পড়লো সিরাজ সাহেব এর উপর।
(প্রতিটি চরিত্র কাল্পনিক)
২. পলাশীর আম্রকানন। ১৭৫৭ সাল। চারিদিকে লাখ লাখ দর্শক। তিনহাজার সৈন্য নিয়ে লর্ড ক্লাইভ অস্তমিত করে দিলেন বাংলার স্বাধীনতার সূর্য। শুনেছি খুব নাকি ভয় পেয়েছিলেন লর্ড ক্লাইভ। তিনি নাকি বলেছিলেন আশেপাশে যে পরিমান দর্শক ছিল সবাই যদি একটা করেও পাথর ছুরে মারত তাহলে নাকি তার সেনাবাহিনী পাথরের নিচে চাপা পড়ে যেত। কিন্তু কেও পাথর ছুরে মারে নি।
২৩.০৯.২০১৩
সপ্তাখানেক পর সুক্রবার সকালে সিরাজ সাহেব বাজার করে ফিরছেন। গলির ভিতর ঢুকে দ্যাখেন চৌধুরী সাহেব মাটিতে গরাগরি খাচ্ছে আর ছক্কা হাফিজ আর তার সাঙ্গপাঙ্গ রা বাশ দিয়ে পেটাচ্ছে। সিরাজ সাহেব কে দেখে চৌধুরী সাহেব অনেক অনুরোধ করলেন তাকে বাঁচানোর জন্য। কিন্তু এবার ও সিরাজ সাহেব কিছুই দেখেন নি এই ভাব করে চলে গেলেন। এভাবেই চলতে থাকলো। মাস দুয়েক এর মধ্যে সিরাজ সাহেব এর এলাকা খালি হয়ে গেলো। এবার একদিন অফিস থেকে ফিরে আসার সময় সিরাজ সাহেব ছক্কা হাফিজ ও তার সাঙ্গপাঙ্গ এর হামলার শিকার হলেন। অনেক অনুনয় বিনয় করলেন। অনেক কান্নাকাটি করলেন কাজ হোলও না। সাহায্যের জন্য আসেপাশের প্রতিবেশিদের বাড়ির দিকে তাকিয়ে অনেক চিল্লালেন। কিন্তু কেও এলো না, আসবে কীভাবে কেও তো নেই। ধিরে ধিরে মৃত্যু আছড়ে পড়লো সিরাজ সাহেব এর উপর।
(প্রতিটি চরিত্র কাল্পনিক)
২. পলাশীর আম্রকানন। ১৭৫৭ সাল। চারিদিকে লাখ লাখ দর্শক। তিনহাজার সৈন্য নিয়ে লর্ড ক্লাইভ অস্তমিত করে দিলেন বাংলার স্বাধীনতার সূর্য। শুনেছি খুব নাকি ভয় পেয়েছিলেন লর্ড ক্লাইভ। তিনি নাকি বলেছিলেন আশেপাশে যে পরিমান দর্শক ছিল সবাই যদি একটা করেও পাথর ছুরে মারত তাহলে নাকি তার সেনাবাহিনী পাথরের নিচে চাপা পড়ে যেত। কিন্তু কেও পাথর ছুরে মারে নি।
২৩.০৯.২০১৩
No comments:
Post a Comment