"উফ জ্যাম, আহ জ্যাম। সারাটা দিনতো রাস্তায় কেটে গেলো।" - পাশের সিটে বসা ভাবি।
হ্যাঁ, আপনার আমার অনুভুতি ও ঠিক এরকমই প্রতিনিয়ত। দিন শেষে আপনি আমি বাড়ি ফিরছি রাজ্যের বিরক্তির ধুলো গায়ে মেখে। এ ধুলো শালার এমনি ধুলো কুসুম গরম পানি (অবশ্যই শীতকালে) অথবা বরফ ঠাণ্ডা পানিতে গোসল করলেও যেতে চায় না। সে আপনি যতো দামি বিদেশি ব্রান্ডের সাবান দিয়ে ঘষে ঘষেই গোসল করুন না কেন? কিন্তু আপনি কখনো ভেবে দেখেছেন কি এই ট্রাফিক জ্যাম আছে বলেই কিছু মানুষ দিনশেষে বাড়ি ফেরে একরাশ স্বস্তি নিয়ে। কি অবাক হচ্ছেন নাকি?
আচ্ছা একটু ভাবুন তো যে ছোট ছোট বাচ্চাগুলো গাল ভরতি হাসি আর মুঠো ভরতি ফুল নিয়ে জ্যাম এর মধ্যে ছুটে ছুটে ফুল বিক্রি করে, জ্যাম না হলে তার কি হতো? পঙ্গু বাবা অথবা অসহায় বিধবা মা বাচ্চার গোমড়া মুখে বাড়ি ফেরা দেখে হয়তো মুখ লুকিয়ে দেশের পানির অভাব কিছুটা কমাতো।
অথবা ভাবুন সেই সব আবাল- বৃদ্ধ- বনিতার কথা যারা বোতল ভরতি ঠাণ্ডা পানি নিয়ে একবার আমার কাছে একবার আপনার কাছে ছুটে ছুটে আসে। আপনি বা আমি যখন বোতলের ছিপি খুলে ঠাণ্ডা পানি গলায় ঢেলে তৃপ্তির হাসিতে আবহাওয়া অন্যরকম করে ফেলি তখন তারাও কিন্তু তৃপ্তির হাসিই হাসে। এরকম আরও অনেকেই আছে যাদের জন্য এই শহুরে ট্রাফিক জ্যাম বিধাতার আশীর্বাদ স্বরূপ।
এই যাহ! বেশি মন খারাপ করে দিলাম নিশ্চয়ই। তাইলে আসুন আপনাকে ট্রাফিক জ্যাম এর মন ভালো করা উপকারিতাও জানিয়ে দেই।
১. যদি আপনার কপাল ভালো থাকে তবে পাশের সিটের ছেলেটা/মেয়েটার সাথে আপনার একটা ইটিশ- পিটিশ সম্পর্ক হয়েও যেতে পারে।
২. অফিসের কাজে বেরিয়েছেন। হালকা একটা ঘুম দিয়ে নিন জ্যাম এ। আরে বস তো জানেই আপনি জ্যাম নামক চব্বিশ শিকে আটকা পরবেন।
৩. এখন তো BRTC বাসে WiFi সুবিধা দিয়েছে। ধুমায়া ডাউনলোড করুন। দেখবেন এই আপনিই আফসোস করবেন যখন দেখবেন আপনার ডাউনলোড কমপ্লিট হওয়ার আগেই আপনি গন্তব্ব্যে পৌঁছে গেছেন।
৪. জ্যাম বসে আপনি আপনার দিনের বাকি অংশের পরিকল্পনা চিন্তা ভাবনা করে সাজাতে পারেন, কোনো দুর্ঘটনা বা গুম হওয়ার ভয় ব্যাতিত!
৫. জ্যামে বসে আপনি আপনার দরকারি ফোনগুলো সেরে নিতে পারেন যেমন ধরেন আপনার শাশুড়িকে ফোন করে তার খোজ খবর নিন। দেখবেন আপনার বউ কেমন খুশি থাকে। আর বউ খুশি মানে তো দুনিয়া খুশি বুঝেনই তো। এছাড়া আপনি জ্যামে বসে কোনো আলগা হয়ে যাওয়া সম্পর্ক জোড়া লাগিয়ে নিতে পারেন!
৬. আপনি ইয়োগা বা কোয়ান্টামের মেডিটেশন চর্চাও ঝুট-ঝামেলা ছাড়াই করতে পারেন জ্যামে বসে। দেখবেন মন ফুরফুরা হয়ে আকাশে উড়ে বেরাচ্ছে।
আমি তো অনেক বললাম। এইবার নিজের মাথাটা হালকা ঝাকান। দেখবেন আরও কতো সুবিধার ফিরিস্তি বেরিয়ে আসে আপনার মাথা দিয়ে। তবে আগেই বলে দিচ্ছি যদি আপনার মাথায় পর্যাপ্ত পরিমান উকুন থেকে থাকে তবে Only try this at home.
হ্যাঁ, আপনার আমার অনুভুতি ও ঠিক এরকমই প্রতিনিয়ত। দিন শেষে আপনি আমি বাড়ি ফিরছি রাজ্যের বিরক্তির ধুলো গায়ে মেখে। এ ধুলো শালার এমনি ধুলো কুসুম গরম পানি (অবশ্যই শীতকালে) অথবা বরফ ঠাণ্ডা পানিতে গোসল করলেও যেতে চায় না। সে আপনি যতো দামি বিদেশি ব্রান্ডের সাবান দিয়ে ঘষে ঘষেই গোসল করুন না কেন? কিন্তু আপনি কখনো ভেবে দেখেছেন কি এই ট্রাফিক জ্যাম আছে বলেই কিছু মানুষ দিনশেষে বাড়ি ফেরে একরাশ স্বস্তি নিয়ে। কি অবাক হচ্ছেন নাকি?
আচ্ছা একটু ভাবুন তো যে ছোট ছোট বাচ্চাগুলো গাল ভরতি হাসি আর মুঠো ভরতি ফুল নিয়ে জ্যাম এর মধ্যে ছুটে ছুটে ফুল বিক্রি করে, জ্যাম না হলে তার কি হতো? পঙ্গু বাবা অথবা অসহায় বিধবা মা বাচ্চার গোমড়া মুখে বাড়ি ফেরা দেখে হয়তো মুখ লুকিয়ে দেশের পানির অভাব কিছুটা কমাতো।
অথবা ভাবুন সেই সব আবাল- বৃদ্ধ- বনিতার কথা যারা বোতল ভরতি ঠাণ্ডা পানি নিয়ে একবার আমার কাছে একবার আপনার কাছে ছুটে ছুটে আসে। আপনি বা আমি যখন বোতলের ছিপি খুলে ঠাণ্ডা পানি গলায় ঢেলে তৃপ্তির হাসিতে আবহাওয়া অন্যরকম করে ফেলি তখন তারাও কিন্তু তৃপ্তির হাসিই হাসে। এরকম আরও অনেকেই আছে যাদের জন্য এই শহুরে ট্রাফিক জ্যাম বিধাতার আশীর্বাদ স্বরূপ।
এই যাহ! বেশি মন খারাপ করে দিলাম নিশ্চয়ই। তাইলে আসুন আপনাকে ট্রাফিক জ্যাম এর মন ভালো করা উপকারিতাও জানিয়ে দেই।
১. যদি আপনার কপাল ভালো থাকে তবে পাশের সিটের ছেলেটা/মেয়েটার সাথে আপনার একটা ইটিশ- পিটিশ সম্পর্ক হয়েও যেতে পারে।
২. অফিসের কাজে বেরিয়েছেন। হালকা একটা ঘুম দিয়ে নিন জ্যাম এ। আরে বস তো জানেই আপনি জ্যাম নামক চব্বিশ শিকে আটকা পরবেন।
৩. এখন তো BRTC বাসে WiFi সুবিধা দিয়েছে। ধুমায়া ডাউনলোড করুন। দেখবেন এই আপনিই আফসোস করবেন যখন দেখবেন আপনার ডাউনলোড কমপ্লিট হওয়ার আগেই আপনি গন্তব্ব্যে পৌঁছে গেছেন।
৪. জ্যাম বসে আপনি আপনার দিনের বাকি অংশের পরিকল্পনা চিন্তা ভাবনা করে সাজাতে পারেন, কোনো দুর্ঘটনা বা গুম হওয়ার ভয় ব্যাতিত!
৫. জ্যামে বসে আপনি আপনার দরকারি ফোনগুলো সেরে নিতে পারেন যেমন ধরেন আপনার শাশুড়িকে ফোন করে তার খোজ খবর নিন। দেখবেন আপনার বউ কেমন খুশি থাকে। আর বউ খুশি মানে তো দুনিয়া খুশি বুঝেনই তো। এছাড়া আপনি জ্যামে বসে কোনো আলগা হয়ে যাওয়া সম্পর্ক জোড়া লাগিয়ে নিতে পারেন!
৬. আপনি ইয়োগা বা কোয়ান্টামের মেডিটেশন চর্চাও ঝুট-ঝামেলা ছাড়াই করতে পারেন জ্যামে বসে। দেখবেন মন ফুরফুরা হয়ে আকাশে উড়ে বেরাচ্ছে।
আমি তো অনেক বললাম। এইবার নিজের মাথাটা হালকা ঝাকান। দেখবেন আরও কতো সুবিধার ফিরিস্তি বেরিয়ে আসে আপনার মাথা দিয়ে। তবে আগেই বলে দিচ্ছি যদি আপনার মাথায় পর্যাপ্ত পরিমান উকুন থেকে থাকে তবে Only try this at home.
No comments:
Post a Comment