ফাহমিদ নতুন গাড়ি কিনেছে। আগের গাড়িটা ঠিক নিজের সাথে যাচ্ছিলো না। তাই সেটা বেচে আরো অনেকগুলো টাকা পুরিয়ে নতুন গাড়িটা কিনেছে। নতুন গাড়ি কিনেই ফাহমিদ প্লান করে ফেললো লং ড্রাইভ এ যাওয়ার। বৃহস্পতিবার রাতেই রওনা দিলো লং ড্রাইভ এ। সাথে বন্ধু কিংশুক। দুজনে মিলে ঠিক করলো সিলেট যাবে। সিলেটে ঘুরে শনিবার ফিরে আসবে। রবিবার থেকে আবার সেই অফিসের ঘানি টানতে হবে।
রাত বারোটা। রাস্তার পাশের একটা ছোট্ট হোটেল থেকে খেয়ে আবার রওনা দিলো দুই বন্ধু। ঘুম যাতে না আসে সেজন্য কড়া করে দুকাপ চা খেয়ে নিয়েছে ফাহমিদ। কিংশুকের সাথে গল্প করতে করতে গাড়ি চালাচ্ছে ফাহমিদ। সাথে চলছে 50 Cent এর গান। হিপহপ তালে দুজনের মাথা দুলছে।
রাত একটা। ফাহমিদ এর সেল ফোনে একটা কল এলো। হাতে নিয়ে দেখে প্রান্তি। ফাহমিদ এর গার্লফ্রেন্ড। না রিসিভ করে উপায় নেই।
এভাবে চলতে থাকলো দুজনের কথা। বোর হয়ে কিংশুক ঘুমিয়ে পরেছে। ফাহমিদ কথা বলে যাচ্ছে আর এক হাতে স্টিয়ারিং ধরে আছে। সামনে একটা বাক। কথা বলতে বলতে স্পীড কমাতে ভুলে গেলো ফাহমিদ। ৮০ তে রেখেই একহাতে স্টিয়ারিং ঘুরিয়ে বাক ঘুরতে গেলো। বাক ঘুরেই দেখে সামনে হেড লাইট। কি করবে বুঝতে পারলো না। ব্রেক এ পা দেওয়ার কথা মনেই পড়লো না।
ওপাশ থেকে প্রান্তি হ্যালো হ্যালো করতেই থাকলো। চোখ থেকে অঝোরে পানি পরছে প্রান্তির। এদিক থেকে সাড়া দেওয়ার মতো কেও নেই। কিংশুক বেচারা বুঝতেই পারলো না সে চলে যাচ্ছে। ফাহমিদ এর নতুন এলিয়ন গাড়িটা যেন টাটা ন্যানো হয়ে গেছে। ভাগ্যিস দেখার জন্য ফাহমিদ নেই। দেখলে খুব কষ্ট পেত।
বি.দ্রঃ গাড়ি চালানোর সময় সেল ফোনে কথা বলা একটা ভয়ঙ্কর কাজ। তরতাজা প্রান একটু কথা বলার কারনে রক্তাক্ত হয়ে ওঠে। ধ্বংস হয়ে যায় একটা জীবন, একটা পরিবার। খুব যদি কথা বলার দরকার হয় তবে গাড়ি বা বাইক রাস্তার পাশে দাড় করিয়ে কথা বলে নিন। আর কেও যখন গাড়ি বা বাইক চালায় তখন তাকে ফোন করবেন না। যদি করেও বসেন, যদি জানতে পারেন সে গাড়ি বা বাইক চালাচ্ছে, তাহলে কথা বলবেন না। আপনার হয়তো একটু কথা বলার বাসনা আপনার প্রিয়জনের মৃত্যুর কারন হয়ে উঠতে পারে। জীবন অনেক মূল্যবান। বেঁচে থাকলে অনেক কথা বলা যাবে।
রাত বারোটা। রাস্তার পাশের একটা ছোট্ট হোটেল থেকে খেয়ে আবার রওনা দিলো দুই বন্ধু। ঘুম যাতে না আসে সেজন্য কড়া করে দুকাপ চা খেয়ে নিয়েছে ফাহমিদ। কিংশুকের সাথে গল্প করতে করতে গাড়ি চালাচ্ছে ফাহমিদ। সাথে চলছে 50 Cent এর গান। হিপহপ তালে দুজনের মাথা দুলছে।
রাত একটা। ফাহমিদ এর সেল ফোনে একটা কল এলো। হাতে নিয়ে দেখে প্রান্তি। ফাহমিদ এর গার্লফ্রেন্ড। না রিসিভ করে উপায় নেই।
- হ্যালো।
- কতুদুর বাবু?
- অনেক দূর।
- আমাকে ফেলে এতদুর চলে গেলে? তোমার একটু ও খারাপ লাগলো না?
- তোমাকে তো আসতে বলেছিলাম। তোমার খারুস বাপের ভয়ে তো এলেনা।
- বাবা কে যদি বলতাম আমি তোমার সাথে সিলেট যাবো, আমাকে কাঁচা চিবিয়ে খেয়ে ফেলতো।
- তো, এখন আর কি করবা, ভালো করে তেল পেয়াজ দিয়ে রান্না করে বাবার সামনে দেও।
- কি?
- নিজেকে। কাঁচা খেতে নিশ্চয়ই তোমার বাবার ভালো লাগতো না।
- তুমি কি কখনো ভালো হবে না? এইগুলান কেমন কথা?
- আর কি বলবো বল?
এভাবে চলতে থাকলো দুজনের কথা। বোর হয়ে কিংশুক ঘুমিয়ে পরেছে। ফাহমিদ কথা বলে যাচ্ছে আর এক হাতে স্টিয়ারিং ধরে আছে। সামনে একটা বাক। কথা বলতে বলতে স্পীড কমাতে ভুলে গেলো ফাহমিদ। ৮০ তে রেখেই একহাতে স্টিয়ারিং ঘুরিয়ে বাক ঘুরতে গেলো। বাক ঘুরেই দেখে সামনে হেড লাইট। কি করবে বুঝতে পারলো না। ব্রেক এ পা দেওয়ার কথা মনেই পড়লো না।
ওপাশ থেকে প্রান্তি হ্যালো হ্যালো করতেই থাকলো। চোখ থেকে অঝোরে পানি পরছে প্রান্তির। এদিক থেকে সাড়া দেওয়ার মতো কেও নেই। কিংশুক বেচারা বুঝতেই পারলো না সে চলে যাচ্ছে। ফাহমিদ এর নতুন এলিয়ন গাড়িটা যেন টাটা ন্যানো হয়ে গেছে। ভাগ্যিস দেখার জন্য ফাহমিদ নেই। দেখলে খুব কষ্ট পেত।
বি.দ্রঃ গাড়ি চালানোর সময় সেল ফোনে কথা বলা একটা ভয়ঙ্কর কাজ। তরতাজা প্রান একটু কথা বলার কারনে রক্তাক্ত হয়ে ওঠে। ধ্বংস হয়ে যায় একটা জীবন, একটা পরিবার। খুব যদি কথা বলার দরকার হয় তবে গাড়ি বা বাইক রাস্তার পাশে দাড় করিয়ে কথা বলে নিন। আর কেও যখন গাড়ি বা বাইক চালায় তখন তাকে ফোন করবেন না। যদি করেও বসেন, যদি জানতে পারেন সে গাড়ি বা বাইক চালাচ্ছে, তাহলে কথা বলবেন না। আপনার হয়তো একটু কথা বলার বাসনা আপনার প্রিয়জনের মৃত্যুর কারন হয়ে উঠতে পারে। জীবন অনেক মূল্যবান। বেঁচে থাকলে অনেক কথা বলা যাবে।

No comments:
Post a Comment